মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তথ্য পেতে এখানে ক্লিক করুন

সেনাবাহিনীতে অনলাইনে চাকুরীর জন্য এখানে ক্লিক করুন

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর একটি শাখা। এই বাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বাঙালি সেনা ও মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়। বর্তমানে এই বাহিনীর সামর্থ্য প্রায় ৩০০,০০০ সদস্য।

ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য সেনাবাহিনীর মতো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর আদলে গঠিত হয়েছে এই বাহিনী । অবশ্য এই বাহিনী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর কৌশলগত পরিকল্পনা কার্যপ্রণালী, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং নন-কমিশন্ড অফিসার প্রশিক্ষণ পদ্ধতি গ্রহণ করেছে৷ এটি গোলন্দাজ, সাঁজোয়া ও পদাতিক ইউনিট দ্বারা সজ্জিত৷

অধিকন্তু এই বাহিনী, শান্তি-রক্ষী বাহিনী হিসাবে তার সামর্থ্য উন্নত করতে উৎসাহী এবং সেই লক্ষে মার্কিন বাহিনীর সাথে একযোগে কাজ করছে৷

 

গঠন/প্রতিষ্ঠা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাথমিকভাবে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর বাঙালি সৈন্য ও অফিসার এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অন্যান্য অংশ হতে যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন তাদের সমন্বয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। ১১ এপ্রিল (১৯৭১) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী(অস্থায়ী) তাজউদ্দীন আহমদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ভাষণ দেন৷ ঐ ভাষণে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবকাঠামো গঠনের কথা উল্লেখ করে এম. এ. জি. ওসমানীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে ঘোষণা দেন৷[১] উল্লেখ্য যে ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারী ও সরকার গঠন করা হয় এবং পরবর্তীকালে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শপথ গ্রহণ করে। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১৭ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিবনগর সরকার, ওসমানীকে করা হয় মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক। ওসমানীর নির্দেশনা অনুযায়ী সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে এক একজন সেনাবাহিনীর অফিসারকে নিয়োগ দেয়া হয়। বিভিন্ন সেক্টর ও বাহিনীর মাঝে সমন্বয়সাধন করা, রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ রাখা, অস্ত্রের যোগান নিশ্চিত করা, গেরিলা বাহিনীর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা - প্রভৃতি কাজ সাফল্যের সাথে পালন করেন ওসমানী। ১২ এপ্রিল থেকে এম. এ. জি. ওসমানী মন্ত্রীর সমমর্যাদায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন৷ রণনীতির কৌশল হিসেবে প্রথমেই তিনি সমগ্র বাংলাদেশকে ভৌগোলিক অবস্থা বিবেচনা করে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে নেন এবং বিচক্ষণতার সাথে সেক্টরগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন৷ এই বাহিনীর গেরিলা যুদ্ধের জন্য নিয়জিত অংশকে বলা হতো গণবাহিনী যা সাধারণ জনগণ হতে বাছাইকৃত লোকবল নিয়ে গঠিত হয়। এবং নিয়মিত যুদ্ধের জন্য ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইপিআর ইত্যাদি বাহিনীর লোকবল নিয়ে একটি নিয়মিত বাহিনী গোড়ে তোলা হয়। এই নিয়মিত বাহিনীর জন্য তিনটি ব্রিগেড গঠন করা হয়। সেগুলো হল:

  • জেড ফোর্স - অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং এটি গঠিত হয়েছিল ১ম, ৩য় এবং ৮ম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১৭ই জুলাই।
  • কে ফোর্স - অধিনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটি গঠিত হয়েছিল ৪র্থ, ৯ম এবং ১০ম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে আগস্ট।
  • এস ফোর্স - অধিনায়ক ছিলেন মেজর সফিউল্লাহ এবং এটি গঠিত হয়েছিল ২য় এবং ১১শ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৪শে সেপ্টেম্বর।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
 
সদর দপ্তর
ঢাকা
ইতিহাস ও ঐতিয্য
বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর ইতিহাস
মুক্তি বাহিনী
সশস্ত্র বাহিনী দিবস
অস্ত্র সামগ্রী
বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর অস্ত্র
গঠন
রেজিমেন্ট সমূহ
কর্মকর্তাবৃন্দ
সেনা প্রধান
পদ ও পদচিহ্ন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ

 

ভারতীয় উপমহাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল আলাদা দু’টি রাষ্ট্র ভারত এবং পাকিস্তান সৃষ্টির মাধ্যমে। পাকিস্তান দুইটি অংশে বিভক্ত ছিল, পূর্ব পাকিস্তান এবং পশ্চিম পাকিস্তান। এই দুই অংশের সাংস্কৃতিক ব্যবধান ছিল বিশাল ও ব্যাপক। ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে একটি র‌্যালির আয়োজন করা হয়। পাকিস্তানী মিলিটারি এতে যোগদানকারী ছাত্রদের উপর গুলি চালায়। পরবর্তীতে, ১৯৭০ সালে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের লক্ষ্যে দেশের দুই অংশেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের একটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, পূর্বাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করে। কিন্তু তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী শান্তিপ্রিয় ও নিরীহ বাঙালিদের উপর দমনমূলক সামরিক অভিযান ও নির্যাতন চালায় এবং যার ফলশ্রুতিতে প্রায় ৩ মিলিয়ন (৩০ লক্ষ) বাংলাদেশী নিহত হন। অবশেষে ৯ মাসের রক্তাক্ত যুদ্ধের পর, পূর্ব পাকিস্তান একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে, যা ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর থেকে 'বাংলাদেশ' নামে পরিচিত।

পার্বত্য চট্টগ্রাম

১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে কাউন্টার ইন্সারজেন্সি অভিযানে জড়িয়ে পরেছে শান্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে, যারা উপজাতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদের জন্য লড়ছে। ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে সরকার ও শান্তিবাহিনীর সঙ্গে শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অপেক্ষাকৃত শান্ত। যদিও এখনো সেখানে প্রচুর সেনা মোতায়েন রয়েছে শান্তি প্রতিষ্ঠা, শান্ত-করণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সাধারণ নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবন-যাপন অব্যাহত রাখতে সেনাদের প্রচুর পরিশ্রম করতে হচ্ছে। সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনে বিজিবি (সাবেক বিডিআর) সহযোগিতা করে থাকে। প্রধানত শীতকালে সেনারা স্থানীয় মানুষকে খাদ্য, কাপড় ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করে থাকে। তারা বন্যা এবং পাহাড় ধসের সময়ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে। সেনাবাহিনী পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সংহতি, স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রধান কারিগর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভুমিকা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা (ইউএনপিএসও)-এর সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দের ১ম উপসাগরীয় যুদ্ধ চলাকালে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২,১৯৩ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি দল সৌদি আরব এবং কুয়েতের শান্তি রক্ষা কাজের পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নামিবিয়া, কম্বোডিয়া, সোমালিয়া, উগান্ডা/রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়া, লাইবেরিয়া, হাইতি, তাজিকিস্তান, পশ্চিম সাহারা, সিয়েরা লিওন, কসোভো, জর্জিয়া, পূর্ব তিমুর, কঙ্গো, আইভরি কোস্টইথিওপিয়ায় শান্তি রক্ষা কাজে অংশগ্রহণ করে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রায় ১০,৮৫৫ সৈন্য সারা বিশ্বে জাতিসংঘ শান্তি-রক্ষী বাহিনীতে কর্মরত আছে, যা পৃথিবীর অন্য যে-কোন দেশ হতে বেশি।

সাংগঠনিক কাঠামো

বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সারাদেশে ছড়ানো ২৩টি ব্রিগেডসহ ৮টি পদাতিক ডিভিশনে বিভক্ত। এতে একটি আরমার্ড (সাঁজোয়া) ব্রিগেড (২টি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট), সাতটি গোলন্দাজ ব্রিগেড, একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ এয়ার-ডিফেন্স গোলন্দাজ ব্রিগেড, একটি ইঞ্জিনিয়ার্স ব্রিগেড, একটি কমান্ডো ব্যাটেলিয়ন এবং দু’টি এভিয়েশন স্কোয়াড্রন আছে। এই বাহিনী নিম্নোক্ত আর্মস ও সার্ভিস কোরসমূহে বিভক্ত:

কমব্যাট আর্মস

কমব্যাট সাপোর্ট

কমব্যাট সার্ভিস সাপোর্ট

কমান্ড এ্যান্ড কন্ট্রোল

কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল অফিসারগণ
চীফ অফ আর্মি স্টাফ
জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়া, পিএসসি
প্রিন্সিপ্যাল স্টাফ অফিসারগণ
চীফ অফ জেনারেল স্টাফলেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মইনুল ইসলাম,এনডিসি, পিএসসি
এডজুটেন্ট জেনারেলমেজর জেনারেল এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন, এনডিইউ,এএফডব্লিউসি , পিএসসি
কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেললেফটেন্যান্ট জেনারেল আনোয়ার হোসেন, এনডিসি, পিএসসি
মাস্টার জেনারেল অফ অর্ডন্যান্সমেজর জেনারেল আব্দুল মতিন, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, পিটিএসসি
ইঞ্জিনিয়ার ইন চীফমেজর জেনারেল হামিদ-আল-হাসান, এনডিসি
মিলিটারী সেক্রেটারীমেজর জেনারেল মুহাম্মদ মাহবুব হায়দার খান, এনডিসি, পিএসসি

আর্মি হেডকোয়ার্টারের গঠন:

আর্মি হেডকোয়ার্টার
ব্র্যাঞ্চডাইরেকটোরেট
জেনারেল স্টাফ ব্র্যাঞ্চস্টাফ ডিউটিস ডাইরেকটোরেট
মিলিটারী অপারেশনস ডাইরেকটোরেট
মিলিটারী ইনটেলিজেন্স ডাইরেকটোরেট
মিলিটারী ট্রেনিং ডাইরেকটোরেট
উইপোন ইকুইপমেন্ট এ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক ডাইরেকটোরেট
বাজেট ডাইরেকটোরেট
ইনফর্মেশন টেকনোলজি ডাইরেকটোরেট
আরমার্ড ডাইরেকটোরেট
আর্টিলারি ডাইরেকটোরেট
সিগনাল ডাইরেকটোরেট
ইনফেন্ট্রি ডাইরেকটোরেট
এডুকেশন ডাইরেকটোরেট
এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল ব্র্যাঞ্চপারসোন্যাল এডমিনিসট্রেশন ডাইরেকটোরেট
পারসোন্যাল সারভিসেস্ ডাইরেকটোরেট
ওয়েলফেয়ার এ্যান্ড রিহেবিলিটেশন ডাইরেকটোরেট
পে পেনশণ এ্যান্ড এ্যাকাউন্টস ডাইরেকটোরেট
মেডিকেল ডাইরেকটোরেট
কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল ব্র্যাঞ্চমুভমেন্ট এ্যান্ড কোয়ার্টারিং ডাইরেকটোরেট
সাপলাই এ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ডাইরেকটোরেট
ডাইরেকটোরেট অফ ওয়ার্কস এ্যান্ড চীফ ইঞ্জিনিয়ার
মাস্টার জেনারেল অফ অর্ডিনেন্স ব্র্যাঞ্চঅর্ডিনেন্স ডাইরেকটোরেট
ইলেক্ট্রিকাল এ্যান্ড মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারস্ ডাইরেকটোরেট
ইন্সপেকশন এ্যান্ড টেকনিক্যাল ডেভেলপমেন্ট ডাইরেকটোরেট
ইঞ্জিনিয়ার ইন চীফ ব্র্যাঞ্চইঞ্জিনিয়ার ডাইরেকটোরেট
ইলেক্ট্রিকাল ওয়ার্কস ডাইরেকটোরেট
মিলিটারী সেক্রেটারী'স ব্র্যাঞ্চ-
জাজ এডভোকেট জেনারেল ডিপার্টমেন্ট-

এরিয়া কমান্ড

  • সাভার এরিয়া (৯ পদাতিক ডিভিশন)
  • বগুড়া এরিয়া (১১ পদাতিক ডিভিশন)
  • ঘাটাইল এরিয়া (১৯ পদাতিক ডিভিশন)
  • চট্টগ্রাম এরিয়া (২৪ পদাতিক ডিভিশন)
  • কুমিল্লা এরিয়া (৩৩ পদাতিক ডিভিশন)
  • যশোর এরিয়া (৫৫ পদাতিক ডিভিশন)
  • রংপুর এরিয়া (৬৬ পদাতিক ডিভিশন)
  • সিলেট এরিয়া (১৭ পদাতিক ডিভিশন)

কমান্ডার ইন চিফ

সেনাপ্রধানগণের তালিকা

পদবিন্যাস

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদবিন্যাস কমনওয়েলথ দেশসমূহের গঠন অনুযায়ি সাজানো। জেনারেল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ । পদবিন্যাসটি নিচে উল্লেখ করা হল:

কমিশন্ড অফিসার

জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার

নন কমিশন্ড অফিসার

সাধারণ সৈন্য

২০১৩ সাল থেকে মহিলাদের সৈনিক পদে যোগদানের সুযোগ করা হয়েছে ।

সরঞ্জাম

৪৬তম পদাতিক বাহিনীর সদস্যগন একটি অস্ত্রে সজ্জিত BTR-80 এ রাজধানীর নিরাপত্তায় নিয়জত আছেন। এই ধরনের যুদ্ধ যান বাংলাদেশের রয়েছে প্রায় ১০০০টি। উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়ার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক এই ধরনের যুদ্ধ যান রয়েছে বাংলাদেশের।
Type-69 Mark 2G প্রধান যুদ্ধ ট্যাংক

সেনানিবাসের তালিকা

  1. ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা
  2. মিরপুর সেনানিবাস, ঢাকা
  3. সাভার সেনানিবাস, ঢাকা
  4. পোস্তগোলা সেনানিবাস, ঢাকা
  5. চট্টগ্রাম সেনানিবাস, চট্টগ্রাম
  6. যশোর সেনানিবাস, যশোর
  7. রাজশাহী সেনানিবাস, রাজশাহী
  8. বগুড়া সেনানিবাস, বগুড়া
  9. জাহাঙ্গীরাবাদ সেনানিবাস, বগুড়া
  10. সৈয়দপুর সেনানিবাস, নীলফামারী
  11. শহীদ সালাউদ্দীন সেনানিবাস, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল
  12. ময়মনসিংহ সেনানিবাস, ময়মনসিংহ
  13. কাদিরাবাদ সেনানিবাস, নাটোর
  14. খোলাহাটি সেনানিবাস, দিনাজপুর
  15. বিএমএ, চট্টগ্রাম
  16. জালালাবাদ সেনানিবাস, সিলেট
  17. জাহানাবাদ সেনানিবাস, খুলনা
  18. কুমিল্লা সেনানিবাস, কুমিল্লা
  19. রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস, গাজিপুর
  20. রংপুর সেনানিবাস, রংপুর
  21. বান্দরবান সেনানিবাস, বান্দরবান
  22. খাগড়াছড়ি সেনানিবাস, খাগড়াছড়ি
  23. আলীকদম সেনানিবাস, কক্সবাজার
  24. কাপ্তাই সেনানিবাস, রাঙ্গামাটি
  25. দিঘীনালা সেনানিবাস, রাঙ্গামাটি